Showing posts with label ব্রিটিশ. Show all posts
Showing posts with label ব্রিটিশ. Show all posts

Saturday, November 02, 2019

কি ছিল গাছের অপরাধ!

https://ift.tt/2pBjhP3

পাকিস্তানে পেশোয়ারে বিনা অপরাধে ১২১ বছর বন্দি এ বটগাছ! ভেঙে গেছে রাষ্ট্র, বদলে গেছে শাসনব্যবস্থা। তবুও বন্দিদশা থেকে মুক্তি পায়নি সেই বটগাছ। এখন  জনমনে প্রশ্ন জাগছে আসলে কি ছিল বটগাছটির অপরাধ?

শুনতে অবিশ্বাস্য লাগলেও ঘটনা ঠিক। তবে কেন বন্দি করা হয়েছিল এ বটগাছকে?

জানা গেছে, ব্রিটিশ শাসনকালের একটি ঘটনা এই বন্দিত্বের পিছনে দায়ী। ১৮৯৮ সালে লান্ডি কোটাল সেনা ক্যান্টনমেন্টে এই গাছটিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তারপর থেকে কোনও বিচার ছাড়াই বন্দি রয়েছে সে। শোনা যায়, ওই ক্যান্টনমেন্টে ব্রিটিশ সেনা অফিসার জেমস স্কোয়াইড নাকি মদ খেয়ে নেশা করেছিলেন একদিন। সেই নেশার ঘোরে হাঁটার সময় দেখতে পান, বটগাছটি তার দিকে তেড়ে আসছে। ব্যস, সঙ্গে সঙ্গে সে অফিসারের হুকুম, অ্যারেস্ট করা হোক গাছটিকে। হুকুম মতোই কাজ হলো। পাইক-পেয়াদারা ছুটে এসে আষ্টেপৃষ্ঠে শিকল পরিয়ে দিল অতবড় গাছটিকে।

তখন থেকেই নাকি শিকলে বাঁধা রয়েছে বেচারা বটগাছ। তারপরে ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটে। রাষ্ট্রের স্বীকৃতি পায় পাকিস্তান। নতুন সরকারের শাসন শুরু হয়। তারপরে কালেরনিয়ম মেনেই কত সরকার বদলে গেল। কিন্তু গাছটির ভাগ্যে কোনও পরিবর্তন হয়নি। এত বছর পরে, এখনও ওই বটগাছে একটি বোর্ড ঝুলছে। তাতে লেখা ‘আই অ্যাম আন্ডার অ্যারেস্ট’।

কেউ কেউ অবশ্য দাবি করেন, পাকিস্তান-আফগান সীমান্তের লান্ডি কোটালের উপজাতি সম্প্রদায়কে ভয় দেখাতেই বটগাছকে গ্রেপ্তার করার নির্দেশ দেয় ব্রিটিশরাজ। যাতে ওই এলাকার উপজাতিরা বুঝতে পারেন, কোনও রকম বিরুদ্ধাচারণ করলে, দরকারে এমন শাস্তি তাদেরও দেওয়া হবে।

সেসবই না হয় ঠিক আছে। কিন্তু সে যুগ তো পেরিয়ে গেছে কবেই। তারপরেও এখন পর্যন্ত গাছটিকে কী কারণে বেঁধে রাখা হয়েছে, তার কোনও উত্তর নেই কারও কাছে। তার পক্ষ নিয়ে কোনেও আইনজীবীও কথা বলতে আসেননি আজ পর্যন্ত। ফলে কোনও মামলাও করা হয়নি। দুনিয়ার বিরলতম অপরাধী বটগাছ হয়ে দর্শনীয় একটি বিষয় হয়ে থেকে গেছে সেটি।

পেশোয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. মুখতিয়ার দুরানি জানিয়েছেন, ঘটনাটি মর্মান্তিক হলেও এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব অপরিসীম। ব্রিটিশ শাসনের সময় উপজাতি বহুল এই এলাকায় আইনকানুন কতটা ভয়াবহ ছিল, তার উদাহরণ হয়েই রয়েছে এই বন্দী বটগাছ। বন্দী গাছকে দেখতে এখন অনেকেই যান সেখানে। গাছটি কি তাদের কাছে মুক্তির আকুল আবেদন জানায়?

জয়নিউজ/বিআর

The post কি ছিল গাছের অপরাধ! appeared first on জয়নিউজবিডি.

https://ift.tt/2C2wYsT

ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত হলেন সিলেটের মকবুল

https://ift.tt/2N6D9CM

ডোমিনিকান রিপাবলিক এবং রিপাবলিক অব হাইতির রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সিলেটের মকবুল আলী ওবিই।

মকবুল আলী ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত হওয়া তৃতীয় বাংলাদেশি। আগের দুইজন হলেন-আনোয়ার চৌধুরী এবং আসিফ আনোয়ার আহমদ। এরমধ্যে আনোয়ার চৌধুরী ব্রিটিশ বাংলাদেশী কূটনীতিবিদ। তিনিই প্রথম কোনো বাঙালি যিনি ব্রিটিশ হাইকমিশনার হিসেবে বাংলাদেশে দায়িত্ব পালন করেন।

এদিকে, মকবুল রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার আগে বাহরাইনে ডেপুটি ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত ছিলেন।

সিলেটের সন্তান মকবুল আহমদের জন্ম ও বেড়ে উঠা যুক্তরাজ্যের ব্রাডফোর্ডে। বাংলাদেশে মকবুলের বাড়ি সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার চানসির কাপন গ্রামে।

রয়্যাল কলেজ অব ডিফেন্স এবং স্কুল অব অরিয়েন্টাল এন্ড আফ্রিকান স্টাডিজ (সোয়াস) থেকে তিনি পড়াশোনা করেছেন। ক্যারিয়ারের বেশিরভাগ সময় তিনি মধ্যপ্রাচ্য, বৃহত্তর মুসলিম সমাজ এবং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিষয়ে কাজ করেছেন। আরব বসস্তের উত্তাল সময়ে তিনি মিসরের কায়রোতে ব্রিটিশ দূতাবাসে নিযুক্ত ছিলেন।

লিবিয়াতে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্পেশাল এনভয় গ্রুপের চিফ অব স্টাফ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মকবুল আলী। যুক্তরাজ্যের সরকারি সেবায় বিশেষ অবদানের জন্য মকবুল আলীকে ২০১০ সালে অর্ডার অব দ্যা ব্রিটিশ অ্যাম্পায়ার (ওবিই) খেতাবে ভূষিত করেন রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ।

জয়নিউজ/বিআর

The post ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত হলেন সিলেটের মকবুল appeared first on জয়নিউজবিডি.

https://ift.tt/36rDLKL