Showing posts with label বাংলাদেশ. Show all posts
Showing posts with label বাংলাদেশ. Show all posts

Saturday, November 16, 2019

ইনিংস ও ১৩০ রানে হারল বাংলাদেশ

https://ift.tt/2NPxJfE
ভারতের কাছে বাংলাদেশের হার

ভারতের বিপক্ষে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম ম্যাচে তৃতীয় দিনেই ইনিংস ও ১৩০ রানে হার মেনেছে বাংলাদেশ।

ইন্দোরে ভারতের বিপক্ষে টস জিতে বাংলাদেশ প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ১৫০ রানে অলআউট হয়। জবাবে ভারত তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ৬ উইকেট হারিয়ে ৪৯৩ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে। এরপর বাংলাদেশ তাদের দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে তৃতীয় দিনের তৃতীয় সেশনেই ২১৩ রানে অলআউট হয়।

দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে প্রথম পাঁচ ওভার দেখেশুনে কাটিয়ে দিয়েছিলেন দুই ওপেনার সাদমান ইসলাম ও ইমরুল কায়েস। কিন্তু ষষ্ঠ ওভারে বোলিং করতে এসে প্রথম বলেই দারুণ এক ইনসুইংগারে ইমরুলের লেগ স্টাম্প উপড়ে দেন উমেশ। প্রথম ইনিংসের মতোই ৬ রানে ফিরে যান ইমরুল।

একই ওভারের পঞ্চম বলে অল্পের জন্য টাইগার অধিনায়ক মুমিনুল হকের উইকেটটি পাননি উমেশ। তার ভেতরে ঢোকা ডেলিভারিতে কোনো শট না খেলে ছেড়ে দিয়েছিলেন মুমিনুল, বল ছুঁয়ে যায় পেছনের প্যাড।

ভারতীয় ফিল্ডারদের করা জোরালো আবেদনে সাড়া দেননি আম্পায়ার। নিজেদের মধ্যে কথা বলে রিভিউ নেন বিরাট কোহলি। রিপ্লেতে দেখা যায় অল্পের জন্য অফস্টাম্প মিস করতো বলটি। ফলে বেঁচে যান মুমিনুল। রিভিউ নষ্ট হয় ভারতের। অধিনায়ক বেঁচে গেলেও পরের ওভারে নিজের উইকেট সামলে রাখতে পারেননি তরুণ ওপেনার সাদমান। ইমরুলের দেখাদেখি তিনিও ঘটান প্রথম ইনিংসের পুনরাবৃত্তি।

দিনের সপ্তম ওভারের শেষ বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ৬ রানে আউট হয়েছিলেন সাদমান। আজও দিনের সপ্তম ওভারের শেষ বলে আউট হয়েছেন তিনি। তবে এবার আর ক্যাচ নয়। ইশান্ত শর্মার শার্প ইনসুইং ডেলিভারিতে সরাসরি বোল্ড হয়েছেন সাদমান। এবারও করেছেন ঠিক ৬ রান।

নিজের রানের খাতা খোলার আগে মুমিনুল রিভিউয়ের হাত থেকে বেঁচে গেলেও কয়েক ওভার পর আর বাঁচাতে পারেননি নিজের উইকেট। মোহাম্মদ শামির করার প্রথম ওভারের পঞ্চম বলে স্টাম্প গার্ড দিয়ে ডিফেন্স করেছিলেন টাইগার অধিনায়ক।

কিন্তু বল ব্যাট ফাঁকি দিয়ে আঘাত হানে পেছনের প্যাডে। প্রথমে আউট দেননি আম্পায়ার। আবার রিভিউ নেন কোহলি। এবার রিপ্লেতে দেখা যায় বল সোজা আঘাত হানতো লেগস্টাম্পে। ফলে ৭ রান করে আউট হয়ে যান মুমিনুল।

শুরুর তিন ব্যাটসম্যানের আঁটসাঁট ব্যাটিং দেখেই হয়তো পাল্টা আক্রমণের পথ ধরেছিলেন চার নম্বরে নামা মোহাম্মদ মিঠুন। চারটি চারের মারে দ্রুতই করে ফেলেছিলেন ১৮ রান। কিন্তু অতিরিক্ত উচ্চাভিলাষী হয়ে বড় শট খেলার প্রয়াসে তিনি ধরা পড়েন শর্ট মিড উইকেটে দাঁড়ানো মায়াঙ্ক আগারওয়ালের হাতে। মাত্র ৪৪ রানেই ৪ উইকেট হারিয়ে বসে বাংলাদেশ।

এরপর থেকে অতি সাবধানী হয়ে খেলতে থাকেন দুই ভায়রাভাই মুশফিকুর রহীম ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। দুজন মিলে কাটিয়ে দেন প্রথম সেশনের বাকি ৭.৫ ওভার, যোগ করেছেন ১৬ রান।

কিন্তু দ্বিতীয় সেশনে ফিরেই স্লিপে দাঁড়ানো রোহিত শর্মার হাতে ক্যাচ তুলে দেন ১৫ রান করা মাহমুদউল্লাহ। তার বিদায়েই উইকেটে আসেন লিটন। ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই ইতিবাচকভাবে খেলছিলেন লিটন কুমার দাস। দলের সেরা ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহীমের সঙ্গে গড়ে ফেলেছিলেন ৬৩ রানের জুটি। নিজেও পেরিয়েছিলেন ৩০ রানের কোটা।

কিন্তু এরপর হুট করেই বাজেভাবে আউট হয়ে সাজঘরে ফিরলেন এ উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান। রবিচন্দ্রন অশ্বিনের বলে উইকেট ছেড়ে বেরিয়ে মারতে গিয়ে পুরো শট করেননি লিটন। ব্যাট চালিয়েও যেনো থেমে যান তিনি।

যে কারণে বলটি চলে যায় সোজা অশ্বিনের হাতে। সহজ ক্যাচটি তালুবন্দী করতে কোনো সমস্যাই হয়নি ভারতীয় স্পিনারের। আউট হওয়ার আগে দারুণ কিছু শটে ৬ চারের মারে ৩৯ বলে ৩৫ রান করেন লিটন।

লিটন সাজঘরে ফিরে যাওয়ার অনেকেই হয়তো ধরে নিয়েছিলেন, দ্বিতীয় সেশনেই শেষ হয়ে যাবে ম্যাচ। মুশফিককে সঙ্গ দেয়ার থাকবে না কেউ। প্রথম ইনিংসে মাত্র ১০ রানে শেষের পাঁচ উইকেট হারানোয় এমন ভাবনা আসা মোটেও অমূলক নয়।

তবে দ্বিতীয় ইনিংসে ভিন্ন চিন্তাই করেছেন মুশফিকুর রহীম ও মেহেদি হাসান মিরাজ। খেলার ধারার বিপরীতে দুজন মিলে অবিচ্ছন্ন সপ্তম উইকেটে জুটিতে যোগ করেন মূল্যবান ৫৯ রান। এরই মধ্যে ব্যক্তিগত অর্ধশতক তুলে নেন মুশফিক।

এই জুটিটি ভাঙে মেহেদী মিরাজের আউটে। দেখেশুনে খেলতে থাকা এই অলরাউন্ডারকে দারুণ এক ডেলিভারিতে বোল্ড করেন উমেশ যাদব। ৫৫ বলে ৫ চার আর ১ ছক্কায় গড়া মিরাজের ৩৮ রানের ইনিংসটি থামে তাতে।

এরপর লোয়ার অর্ডারের তাইজুল ইসলামকে নিয়ে আবারও প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন মুশফিক। ১১.৪ ওভার কাটিয়ে দিয়েছিলেন তারা। যদিও মাত্র ১৪ রান ওঠে এই জুটিতে, তবে ভারতীয় বোলারদের ঘাম ঝরছিল।

শেষ পর্যন্ত এই প্রতিরোধ ভেঙেছেন মোহাম্মদ শামি। শর্ট বলে তাইজুল ইসলামকে (৬) বোকা বানিয়ে উইকেটরক্ষক ঋদ্ধিমান সাহার ক্যাচ বানিয়েছেন ভারতীয় এই পেসার।

এরপর আর সঙ্গী নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার সাহস করেননি মুশফিক। নিজেই তাই ঝুঁকি নিয়ে চেয়েছিলেন রানটা বাড়িয়ে নিতে। তাইজুল আউট হওয়ার পরের ওভারেই অশ্বিনকে তুলে মারতে গিয়ে মিডঅফে চেতেশ্বর পূজারার ক্যাচ হন টাইগার দলের শেষ ভরসা।

১৫০ বল মোকাবেলায় ৭ বাউন্ডারিতে গড়া মুশফিকের ৬৪ রানের ইনিংসটি থেমে যাওয়ার পর আর অলআউট হতে সময় লাগেনি বাংলাদেশের। ৬৯.২ ওভারে ২১৩ রানেই গুটিয়ে গেছে সফরকারিদের দ্বিতীয় ইনিংস।

প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসেও ভারতীয় বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ছিলেন মোহাম্মদ শামি। ৩১ রানে তিনি নিয়েছেন ৪টি উইকেট।

জয়নিউজ/এসআই

The post ইনিংস ও ১৩০ রানে হারল বাংলাদেশ appeared first on জয়নিউজবিডি.

https://ift.tt/2qmTJWr

Thursday, November 14, 2019

ব্যাটিংয়ে ধুঁকছে বাংলাদেশ

https://ift.tt/32LTSzC

সাকিব আল হাসানের নিষেধাজ্ঞার কারণে হঠাৎই টেস্ট নেতৃত্ব এসে পড়লো মুমিনুল হকের ওপর। এই ফরম্যাটে বাংলাদেশ দলের সবচেয়ে ‘কুল ক্রিকেটার’হিসেবে পরিচিত মুমিনুল হক।

সকালে  ইন্দোরের হলকার স্টেডিয়ামে ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলির সঙ্গে টস করতে নেমে মুমিনুল হক জিতলেন কয়েন নিক্ষেপে। টস জিতেই চোখ বন্ধ করে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।

আর এতেই কাল হলো দলের। শুরুতেই ভারতের দুই পেসার উমেষ যাদব ও ইশান্ত শর্মার বোলিং তোপে পরে শুরুতেই নেই দুই টাইগার ওপেনার। তরুণ সাদনাম ইসলাম ও অভিজ্ঞ ইমরুল কায়েস দুইজনেই ফিরেছেন ৬ রান করে। এরপর মোহাম্মদ শামির এলবিডব্লিওর শিকার হয়ে মোহাম্মদ মিঠুন ফেরেন ১৩ রানে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ১৯ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ৩২ রান।

বাংলাদেশ একাদশ

ইমরুল কায়েস, সাদমান ইসলাম, মোহাম্মদ মিঠুন, মুমিনল হক (অধিনায়ক), মুশফিকুর রহীম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, লিটন দাস, মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম, আবু জায়েদ রাজী এবং এবাদত হোসেন।

ভারত একাদশ

রোহিত শর্মা, মায়াঙ্ক আগরওয়াল, চেতেশ্বর পুজারা, বিরাট কোহলি (অধিনায়ক), আজিঙ্কা রাহানে, রবীন্দ্র জাদেজা, ঋদ্ধিমান সাহা (উইকেটরক্ষক), রবিচন্দ্রন অশ্বিন, ইশান্ত শর্মা, মোহাম্মদ শামি এবং উমেষ যাদব।

 

The post ব্যাটিংয়ে ধুঁকছে বাংলাদেশ appeared first on জয়নিউজবিডি.

https://ift.tt/376Zqbp

Sunday, November 10, 2019

বুলবুল: বাংলাদেশ ২, ভারত ২

https://ift.tt/32wKlfX

ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’র তাণ্ডবে পটুয়াখালী ও খুলনায় নারীসহ দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। রোববার (১০ নভেম্বর) ভোরে ঝড়ের সময় ঘর ও গাছচাপা পড়ে এ প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন-পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জের উত্তর রামপুরা গ্রামের হামেদ ফকির (৬০) ও খুলনার দাকোপ উপজেলার প্রমিলা মণ্ডল (৫২)।

এখনো ঘূর্ণিঝড় বুলবুল’র প্রভাবে  এ অঞ্চলে মাঝারি, কখনো মুষলধারে বৃষ্টিপাত হচ্ছে।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উপকূলে শনিবার (৯ নভেম্বর) সন্ধ্যার পর আঘাত হানে। এসময় উপকূলে ঘণ্টায় ১১৫ কিলোমিটার থেকে ১২৫ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যায়। ‘বুলবুল’র তাণ্ডবে কলকাতা ও ওডিশায় দুজনের মৃত্যু হয়।

জয়নিউজ/পিডি

The post বুলবুল: বাংলাদেশ ২, ভারত ২ appeared first on জয়নিউজবিডি.

https://ift.tt/34PUztt

Thursday, November 07, 2019

রাজকোটে সিরিজ জয়ের স্বপ্ন টাইগারদের

https://ift.tt/2PUYyQZ

দিল্লিতে জয়ের পর এখন বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের সিরিজ জয়ের হাতছানি। টি-টোয়েন্টিতে ভারতের মত শক্তিশালী দলেকে হারাতে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদরা মুখিয়ে আছেন এখন। রাজকোটে সৌরাষ্ট্র ক্রিকেট স্টেডিয়ামে মাঠে নামার জন্য প্রস্তুত টাইগাররা।

কিন্তু দিল্লিতে যেমন চোখ রাঙিয়েছিল মারাত্মক বায়ুদূষণ, তেমনি রাজকোটেও চোখ রাঙাচ্ছিল ঘূর্ণিঝড় ‘মাহা’। আরব সাগর থেকে উঠে আসা এই ঘূর্ণিঝড় মাহার প্রভাবে রাজকোটে বৃষ্টির সম্ভাবনা ছিল।

তবে ঘূর্ণিঝড়ের দিক বদলে গুজরাট উপকূল, আহমেদাবাদ ছেড়ে মাহার গন্তব্য কর্ণাটক, তামিলনাড়ু এবং কেরালার দিকে সরে গেছে। যে কারণে রাজকোটেও কমে এসেছে ঝড়ের প্রকোপ। বুধবার (৭ নভেম্বর) কিছুটা বৃষ্টিপাত হলেও আজকের খবর হচ্ছে, সকাল থেকেই রাজকোটে রৌদ্রোজ্জল আবহাওয়া। তাই মাঠে এই মহারণের ম্যাচ গড়ানোর আশা করতে পারেন ক্রিকেট ভক্তরা।

জয়নিউজ/পিডি

 

The post রাজকোটে সিরিজ জয়ের স্বপ্ন টাইগারদের appeared first on জয়নিউজবিডি.

https://ift.tt/2NRyaVP

Saturday, October 26, 2019

আসা-যাওয়ার মিছিলে লড়লেন কেবল রুমানা

https://ift.tt/2WgoN5D
বাংলাদেশ নারী দল

স্বাগতিক পাকিস্তান লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশ নারী দলকে ১২৭ রানের টার্গেট দেয়। পরে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশের হয়ে ব্যাট হাতে লড়েছেন কেবল রুমানা আহমেদ। রুমানার ফিফটিরে পরেও ১৪ রানে হারতে হয় বাংলাদেশকে।

আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১২৬ রান করে পাকিস্তান। জবাবে ৭ উইকেটে ১১২ রান করে বাংলাদেশ। ফলে পাকিস্তানের মেয়েরা সিরিজের প্রথম ম্যাচেই ১৪ রানের জয় পায়।

বাংলাদেশের ইনিংসের শুরুতেই আউট হন দুই ওপেনার শামিমা সুলতানা (৪ রান) ও আয়েশা রহমান (১ রান)। এরপর সানজিদা ইসলাম ১৪ রানের ইনিংস খেলেন। নিগার সুলতানার ব্যাট থেকে আসে ১৭ রান। ৯ রান করে ফারজানা হক বিদায় নিলে জাহানারা ৩ বলে শূন্য রানে বোল্ড হন আনাম আমিনের বলে।

বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের আসা-যাওয়ার মধ্যেই হঠাৎ পাকিস্তানের বোলারদের উপর ঝড় বইয়ে দেন রুমানা আহমেদ। ২৮ বলে ৬ চার ও ২ ছয়ে ফিফটি পূর্ণ করেন রুমানা। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে রুমানা আহমেদ পেলেন নিজের প্রথম ফিফটির দেখা।

শেষ ওভারে জয়ের জন্য বাংলাদেশের মেয়েদের প্রয়োজন ছিল ১৮ রান। কিন্তু প্রথম বলে সালমা নেন ১ রান। আলিয়া রিয়াজের তৃতীয় বলে বোল্ড হন ৫০ রান করা রুমানা। শেষ ওভারে আসে মাত্র ৩ রান। আর তাতেই বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের ইনিংস শেষ হয় ৭ উইকেটে ১১২ রানে। পাকিস্তান নারী দল ১৪ রানের জয়ে মাঠ ছাড়ে।

এর আগে গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় পাকিস্তান নারী দলের অধিনায়ক বিসমাহ মারুফ। ব্যাট হাতে নেমে শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি পাকিস্তানের দুই ওপেনারের। ইনিংসের প্রথম ওভারেই ওপেনার সিদ্রা আমিনকে ৪ রানে বোল্ড করেন জাহানারা আলম। তৃতীয় ওভারে জাহানারার দ্বিতীয় শিকার হন ৫ রান করা জাবেরিয়া খান।

এরপর অধিনায়ক বিসমাহ মারুফ ও উমাইমা সোহাইল মিলে ৬০ রানের জুটি গড়েন। দলীয় ৭৫ রানে বিসমাহ মারুফ (৩৪ রান) লতা মন্ডলের বলে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়েন। এরপর আর বেশিক্ষণ থাকতে পারেননি উমাইমাও; ৩৩ রান করা উমাইমা রুমানা আহমেদের বলে পান্না ঘোষের হাতে ক্যাচ তুলে সাজঘরে ফেরেন।

আলিয়া রিয়াজ করেন ৭ রান। ১৯ তম ওভারে ১ বলের ব্যবধানে ইরাম জাভেদ ও কায়নাত ইমতিয়াজকে বোল্ড করে ফেরালেন পেসার জাহানারা আলম।

শেষ ওভারে ১৭ রান হজম করেন স্পিনার সালমা খাতুন। সিদ্রা নাওয়াজ শেষে ৫ বলে ৪ চারে ১৬ রানে অপরাজিত থাকেন। আর তাতেই পাকিস্তান নারী দল ৭ উইকেটের বিনিময়ে স্কোরবোর্ডে জমা করে ১২৬ রান।

বাংলাদেশের হয়ে ১৭ রানে ৪ উইকেট নেন জাহানারা আলম। ১টি করে উইকেট পান রুমানা, পান্না ও লতা মন্ডল।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:
পাকিস্তান নারী দল: ১২৬/৭ (২০ ওভার) সিদ্রা আমিন ৪, জাবেরিয়া ৫, বিসমাহ ৩৪, উমাইমা ৩৩, আলিয়া ৭, ইরাম ২১, ডায়ানা ২*, সিদ্রা নাওয়াজ ১৬*; জাহানারা ৪/১৭, রুমানা ১/১৪, পান্না ১/২৪, লতা ১/১৯

বাংলাদেশ নারী দল: ১১২/৭ (২০ ওভার) রুমানা ৫০, নিগার ১৭, সানজিদা ১৪, ফারজানা ৯, শামিমা ৪, আয়েশা ১, জাহানারা ০, সালমা ৪*; আনাম আমিন ২/১৩, ডায়ানা ১/২২

জয়নিউজ/এসআই

The post আসা-যাওয়ার মিছিলে লড়লেন কেবল রুমানা appeared first on জয়নিউজবিডি.

https://ift.tt/32K7DQl

Thursday, October 24, 2019

বাংলাদেশের বিপক্ষে ভারতের টি-২০ দল ঘোষণা

https://ift.tt/3624z4g
ভারতীয় ক্রিকেট দল

ঘরের মাঠে বাংলাদেশের বিপক্ষে তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে ভারত। যেটা আগামী ৩ নভেম্বর শুরু হবে। 

বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) এই সিরিজকে সামনে রেখে ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে ভারতের ক্রিকেট নিয়ন্ত্রণ বোর্ড।

এদিকে টি-টোয়েন্টি সিরিজের দলে রাখা হয়নি বিরাট কোহলিকে। তাকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে। তার পরিবর্তে ভারতকে নেতৃত্ব দিবেন রোহিত শর্মা।

দলে নতুন মুখ শিভাম দুবে। তিনি অলরাউন্ডার হার্দিক পান্ডিয়ার পরিবর্তে দলে সুযোগ পেয়েছেন। দলে আছেন কেরালার ব্যাটসম্যান সঞ্জু স্যামসন। তিনি বিজয় হাজারে ট্রফিতে রেকর্ড ২১২* রানের ইনিংস খেলে দলে ডাক পেয়েছেন।

ভারতের টি-টোয়েন্টি দল: রোহিত শর্মা (অধিনায়ক), শিখর ধাওয়ান, লোকেশ রাহুল, সঞ্জু স্যামসন, শ্রেয়াস আয়ার, মানিষ পান্ডে, রিশাব পন্ত, ওয়াশিংটন সুন্দর, ক্রুনাল পান্ডিয়া, যুজবেন্দ্র চাহাল, রাহুল চাহার, দীপক চাহার, খলিল আহমেদ, শিভাম দুবে ও শার্দুল ঠাকুর।

জয়নিউজ/এসআই

The post বাংলাদেশের বিপক্ষে ভারতের টি-২০ দল ঘোষণা appeared first on জয়নিউজবিডি.

https://ift.tt/2WeKbIr

Monday, October 21, 2019

যে ১১ দফা দাবিতে ক্রিকেটারদের ধর্মঘট

https://ift.tt/35O2A3b
ক্রিকেটারদের দাবি

বিসিবির সিদ্ধান্ত ও কার্যক্রমে বিভিন্ন সময় অসন্তুষ্ট ছিলেন ক্রিকেটাররা। অবশেষে আজ (সোমবার) তারা এক হয়েছেন। এক হয়ে তারা তুলে ধরেছেন ১১ দফা দাবি। সঙ্গে ঘোষণা দিয়েছেন, দাবি না মানা পর্যন্ত সব ক্রিকেটীয় কার্যক্রম বন্ধ!

মাঠে যেমন ১১জন এগিয়ে নেয় দলকে, এই দাবিগুলোও ঠিক যেন তাই। দেশের ক্রিকেট এগিয়ে নেওয়ার দাবিগুলো পড়ে শুনালেন একে একে তাঁরা…

১. প্রথমেই সম্মানের ব্যাপারে। আমরা যারা ক্রিকেটার আছি, যতটুকু সম্মান আমাদের পাওনা ততটুকু মনে হয় না পাই। আমাদের খেলোয়াড়দের যে সমিতি আছে (কোয়াব), তাদের কোনো কার্যক্রম নেই। খেলোয়াড়দের প্রতিনিধি হয়ে আমাদের জন্য যে কিছু করবে সেটি আমরা কখনো দেখিনি। প্রথম দাবি হচ্ছে, যারা এখন এই সংগঠনের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক আছে তাদের দ্রুত পদত্যাগ করতে হবে। সামনে কে এই সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক, সভাপতি হবে সেটা আমরা ঠিক করব। নির্বাচন করে ঠিক করব।

২. কত কয়েক বছর ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের পরিস্থিতি কী নিশ্চয়ই জানেন। যেভাবে লিগ হচ্ছে সব খেলোয়াড় এটা নিয়ে অসন্তুষ্ট। পারিশ্রমিকের একটা মানদণ্ড বেঁধে দেওয়া হচ্ছে। অনেক সীমাবদ্ধতার মধ্যে খেলোয়াড়দের খেলতে হচ্ছে। আগে যেভাবে প্রিমিয়ার লিগ খেলতাম, যেভাবে আমরা ক্লাব অফিশিয়ালদের সঙ্গে চুক্তি করতাম…খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক নিয়ে তারা সক্রিয় থাকত। খেলোয়াড়েরা নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী ক্লাব ঠিক করতে পারত। আমাদের দাবি, আগের মতো যেন ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ ফিরে পাই।

৩. এ বছর বিপিএল অন্য নিয়মে হচ্ছে। এটাকে সম্মান করি। যেটা আমাদের দাবি, আগের নিয়মে বিপিএল যেন ফিরে আসে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, স্থানীয় ক্রিকেটাররা যেন বিদেশি ক্রিকেটারদের মতো ন্যায্য পারিশ্রমিক পায়। বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা কে কোন গ্রেডে পড়বে সেটি যেন নিশ্চিত করা হয়। নিলামে যদি কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজি না নেয় সেটি তাদের ব্যাপার। তবে খেলোয়াড়েরা যেন নিজেদের প্রাপ্য গ্রেডে থাকে।

৪. প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটারদের পারিশ্রমিক ১ লাখ টাকা হতে হবে। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটারদের বেতন খুবই কম। ওটা অবশ্যই ৫০ শতাংশ বাড়াতে হবে। প্রতিটি বিভাগে খেলোয়াড়দের জিম, নেট, মাঠের সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে হবে। ১২ মাস ফিজিও-ট্রেনার রাখতে হবে। এই ফিজিও-ট্রেনাররা প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটারদের একটা প্রক্রিয়ার মধ্যে আনবে। যেন তারা সেভাবে কাজ করতে পারে। জানি আজ চাইলেই এটা হবে না। তবে আগামী মৌসুমের আগে এটা নিশ্চিত করতে হবে। চাই না প্রতিটি বিভাগের অনুশীলন ঢাকার এই একাডেমি মাঠে হোক। আমরা চাই প্রতিটি বিভাগ নিজেদের হোম ভেন্যুতে প্রস্তুতি নেবে। তাহলে ক্রিকেটের প্রসার হবে। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে আরও অনেক ছোটখাটো বিষয় আছে। যেগুলো বিস্তারিত বলা কঠিন। তবুও কিছু বলি যেমন- বল একটা বড় সমস্যা। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে যে বল দেওয়া সেটি মানসম্মত নয়। ওই বলে খেলে যখন আমরা আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলতে আসি অনেক কষ্টে মানিয়ে নিতে হয়। এখন দৈনিক ভাতা দেওয়া হয় ১৫০০ টাকা। আমাদের কাছে যে ফিটনেস দাবি করা হচ্ছে সেটি এই টাকায় সম্ভব নয়। স্বাভাবিকভাবে খেলোয়াড়দের স্বাস্থ্যসম্মত খেতে হয়। ভালো হোটেলে থাকতে হয়। ভালো থাকা-খাওয়ার জন্য যে টাকা লাগে সেটি দিতে হবে। ভ্রমণে এখন দেওয়া হচ্ছে ২৫০০ টাকা। ধরুন, রাজশাহী থেকে একজন খেলোয়াড় যাবে দূরের আরেক ভেন্যুতে। এই ২৫০০ টাকায় বাস ছাড়া যাওয়া সম্ভব? এক ভেন্যু থেকে আরেক ভেন্যুতে যেতে বিমানে যেন চলাচল করতে পারে, সেটি নিশ্চিত করতে হবে। ভ্রমণভাতার দরকার নেই। বিমানের টিকিট যেন নিশ্চিত করা হয়। যে হোটেলে দল থাকবে সেখানে অবশ্যই সুইমিং পুল ও জিম থাকতে হবে। চার দিনের ম্যাচে একজন খেলোয়াড়ের ওপর অনেক ধকল যায়। সেই ধকল কাটিয়ে ওঠার সুবিধা যেন টিম হোটেলে থাকে। ১-২ তারকার হোটেলে থাকা সম্ভব নয়। যে টিম বাস দেওয়া হয় সেটি খুবই হতাশার। যে বাসে খেলোয়াড়েরা স্বচ্ছন্দবোধ করে তেমন বাস যেন দেওয়া হয়।

৫. বিসিবির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ জাতীয় দলের খেলোয়াড় সংখ্যা বাড়াতে হবে। বিশ্বের সঙ্গে যদি তুলনা করেন জাতীয় দলের চুক্তিবদ্ধ খেলোয়াড় সংখ্যা অনেক কম। সংখ্যাটা অন্তত ৩০জন করতে হবে। বেতন বাড়াতে হবে। তিন বছর ধরে বেতন বাড়ানো হয় না।

৬. সম্মান শুধু ক্রিকেটাররা নন, মাঠে যারা কাজ করে, গ্রাউন্ডসম্যান সকাল থেকে রাত পর্যন্ত কাজ করে মাসে মাত্র ৫-৬ হাজার টাকা বেতন পান। একজন স্থানীয় কোচের কথা যদি বলি, আমরা নিজেরাই বাংলাদেশি কোচদের তুলে ধরতে চাই না। বিদেশি কোচের পেছনে যে টাকা ব্যয় করা হয়, তাতে আমাদের ২০জন স্থানীয় কোচের বেতন হয়ে যায়! একটা সফরে দেখা গেল বাংলাদেশি কোচের অধীনে খেলোয়াড়েরা ভালো করেছে। দেখা যাবে পরের সফরে ওই কোচকে আর রাখা হচ্ছে না। আম্পায়ারিং নিয়ে সবাই অভিযোগ করি। কিন্তু তাদের তো আর্থিক নিশ্চয়তা দিতে হবে। একই কথা ফিজিও-ট্রেনারদের ক্ষেত্রেও। এটাই সঠিক সময় বিদেশিদের তুলনায় বাংলাদেশিদের গুরুত্ব দেওয়া।

৭. ঘরোয়া ক্রিকেটে আমরা দুটো প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেলি। ৫০ ওভারের একটা লিগ খেলি। এখানে আরেকটা টুর্নামেন্ট বাড়ানো উচিত। বিপিএল দিয়ে একটা টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট খেলি। বিপিএলের আগ দিয়ে আরেকটি টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট হওয়া জরুরি। এতে বিপিএলে আরও ভালো করতে পারবে স্থানীয় ক্রিকেটাররা। আগে জাতীয় লিগে চার দিনের ম্যাচের সঙ্গে একটা ৫০ ওভারের ম্যাচ খেলতাম। এখন সেটি বন্ধ। আমরা চাই এটা আবার চালু হোক। যাতে আরও বেশি একদিনের ম্যাচ খেলতে পারি।

৮. ঘরোয়া ক্রিকেটের জন্য একটা নির্দিষ্ট ক্যালেন্ডার থাকতে হবে। যেটি দেখে আমরা আগ থেকেই প্রস্তুতি নিতে পারি।

৯. বিপিএল-প্রিমিয়ার লিগের পারিশ্রমিক যেন সময় মতো দেওয়া হয়। গত প্রিমিয়ার লিগ খেলা ব্রাদার্সের কাছে এখনো পারিশ্রমিক পায় খেলোয়াড়েরা।

১০. নিয়ম করে দেওয়া হয়েছে দুটির বেশি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ খেলতে পারব না খেলোয়াড়েরা। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ব্যস্ততা না থাকলে যেকোনো লিগ খেলার সুযোগ দিতে হবে।

১১. ঘরোয়া ক্রিকেটের কথাই বেশি আসছে। ম্যাচের আগে অনেক সময় জেনে যাই কোন দল জিতবে কোন দল হারবে। এটা খুবই দুঃখজনক। এটা ঠিক করা খুব জরুরি। এটির সঙ্গে খেলোয়াড়ের ক্যারিয়ার জড়িয়ে। এক ম্যাচে ভালো বলে আউট হয়ে যেতে পারে একজন ব্যাটসম্যান। কিন্তু টানা যদি আম্পায়ারের বাজে সিদ্ধান্তে আউট হয়, তার ক্যারিয়ার ওখানেই শেষ হয়ে যায়। খেলোয়াড়কে উঠে আসতে এই পাইপলাইনটা ভালো করা জরুরি। এখানে আমরা নারী দলকে যুক্ত করতে পারিনি। আমাদের দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। তাদের যদি কোনো দাবি থাকে অবশ্যই যুক্ত করা হবে। বয়সভিত্তিক দল এখানে যোগ করছি না।

সবশেষে সাকিব বললেন, যত দিন এই দাবি পূরণ করা হচ্ছে না তত দিন ক্রিকেটীয় কোনো কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছি না। দাবি মানলে আবার স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরে যাব। ভবিষ্যতের খেলোয়াড়দের জন্য আমরা ভালো পরিবেশ রেখে যেতে চাই, যারা ক্রিকেটটা এগিয়ে নেবে।

জয়নিউজ/এসআই

The post যে ১১ দফা দাবিতে ক্রিকেটারদের ধর্মঘট appeared first on জয়নিউজবিডি.

https://ift.tt/31wggwr